লোগো মূলত একটি ব্র্যান্ডের পরিচয় বহন করে। ডিজাইনভেদে লোগোকে নিচের ৭টি ভাগে ভাগ করা যায়:
১. ওয়ার্ড মার্ক (Word Mark)
এটি মূলত শুধুমাত্র টেক্সট বা ফন্ট দিয়ে তৈরি লোগো। যেমন: Google, eBay, বা Coca-Cola। যখন কোনো কোম্পানির নাম ছোট এবং আকর্ষণীয় হয়, তখন এই ধরণটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
২. লেটার মার্ক (Letter Mark / Monogram)
দীর্ঘ নামের কোম্পানিগুলো তাদের নামের আদ্যক্ষর বা সংক্ষেপিত রূপ ব্যবহার করে এই লোগো তৈরি করে। যেমন: CNN, HP, বা Netflix। এটি মনে রাখা সহজ এবং ছোট জায়গায় সুন্দরভাবে সেট হয়।
৩. পিকটোরিয়াল মার্ক (Pictorial Mark)
এটি একটি গ্রাফিক বা আইকন ভিত্তিক লোগো যা সরাসরি কোনো বস্তুর ছবি ফুটিয়ে তোলে। যেমন: Apple-এর আপেল বা Twitter-এর পাখি। ব্র্যান্ডটি পরিচিত হয়ে গেলে শুধু এই চিহ্নটি দেখেই মানুষ চিনতে পারে।
৪. অ্যাবস্ট্রাক্ট মার্ক (Abstract Mark)
পিকটোরিয়াল মার্কের মতো হলেও এটি সরাসরি কোনো বস্তু নয়, বরং একটি জ্যামিতিক বা বিমূর্ত আকৃতি। যেমন: Nike-এর টিক চিহ্ন বা Pepsi-এর গোলক। এটি ব্র্যান্ডের জন্য একটি স্বতন্ত্র এবং অনন্য অনুভূতি তৈরি করে।
৫. মাসকট লোগো (Mascot Logo)
এই লোগোতে কোনো একটি চরিত্র বা কাল্পনিক প্রাণীকে ব্র্যান্ডের প্রতিনিধি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যেমন: KFC-এর কর্নেল স্যান্ডার্স বা Pringles-এর গোঁফওয়ালা চরিত্রটি। এটি ব্র্যান্ডকে মানুষের কাছে বন্ধুত্বপূর্ণ হিসেবে উপস্থাপন করে।
৬. কম্বিনেশন মার্ক (Combination Mark)
নাম থেকেই বোঝা যাচ্ছে, এখানে লেখা (Word mark) এবং ছবি (Icon) উভয়ই থাকে। যেমন: Amazon, Adidas, বা Mastercard। এটি সবচেয়ে বহুমুখী লোগো কারণ এটি আইকন এবং নাম—উভয় মাধ্যমেই ব্র্যান্ডকে পরিচিত করে।
৭. এমব্লেম লোগো (Emblem Logo)
এই ধরণের লোগোতে টেক্সট বা আইকন একটি ব্যাজ, সিল বা শিল্ডের ভেতরে থাকে। যেমন: Starbucks বা Warner Bros (WB)। এই লোগোগুলো সাধারণত একটু ঐতিহ্যবাহী এবং রাজকীয় ভাব ফুটিয়ে তোলে।
